যেখানেই ছাত্র, ইসলামের আহ্বান পৌঁছানোর লক্ষ্যে সেখানেই আমরা -রাজিবুর রহমান

মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্বানের কাজ বা দায়িত্ব সরাসরি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা নির্দেশিত। বিশ্বাসীদের জন্য দাওয়াতি কাজের গুরুত্ব বোঝা ও তদনুযায়ী কাজ করার জন্য একটি আয়াতই যথেষ্ট হতে পারে। “তোমরা আল্লাহর দিকে মানুষকে হিকমাহ ও সুন্দরতম উপদেশের মাধ্যমে আহ্বান করবে, আর বিতর্ক করবে উত্তম পন্থায়”। (সূরা নাহল : ১২৫)

১১ মে কুরআন দিবস বাংলাদেশের সবুজ ভূখণ্ডে শাহাদাতের দীপ্ত মিছিল -রাশেদুল ইসলাম

আল্লাহর দেওয়া বিধানের আলোকে মানুষের জীবন পরিচালনার বিরোধিতা করার জন্যই শয়তানের সকল তৎপরতা। এই তৎপরতার মূল ক্রীড়নক মানুষ নিজেই। অনেকের ধারণা, মহাগ্রন্থ আল কুরআনের বিরোধিতা শুধুমাত্র কুরআন না জানার কারণে। এটা একদিক থেকে ঠিক আছে। তবে এর উল্টোপাশে বিশাল জায়গাজুড়ে যে বিষয়টি রয়েছে, তা হলো মহান আল্লাহর সাথে মানুষের সরাসরি বিরোধিতায় লিপ্ত হওয়া। যারা এই বিরোধিতায় লিপ্ত হয়, তারা পৃথিবীর তাবৎ সত্য-ফিতরাত উপেক্ষা করেই তাদের কর্মসূচি নির্ধারণ করে থাকে। ১৯৮৫ সালের ১১ মে কুরআনপ্রেমীদের উপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণে বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৮ জন ভাইয়ের শাহাদাতের ঘটনা সেরকম আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশবিশেষ।

"ব্যক্তিগত রিপোর্ট সংরক্ষণ পরকালীন জবাবদিহিতা সহজ করে" -ড. মো: হাবিবুর রহমান

আল্লাহ তায়ালা এই পৃথিবীতে মানুষ সৃষ্টি করেছেন এবং মানুষের জীবন পরিচালনার পদ্ধতি ও পন্থা কী হবে তাও বলে দিয়েছেন। এ সম্পর্কে আল-কুরআনে বলা হয়েছে, قُلْنَا اهْبِطُوا مِنْهَا جَمِيعًا فَإِمَّا يَأْتِيَنَّكُمْ مِنِّي هُدًى فَمَنْ تَبِعَ هُدَايَ فَلَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ (৩৮) আমি বললাম, ‘তোমরা সবাই তা থেকে নেমে যাও। অতঃপর যখন আমার পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে কোনো হিদায়াত আসবে, তখন যারা আমার হিদায়াত অনুসরণ করবে, তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না।’ (সূরা বাকারা : ৩৮) উপরোক্ত আয়াতে যে জীবন-বিধানের কথা বলা হয়েছে মানুষের জীবন পরিচালনার জন্য আল্লাহর এই বিধানের চেয়ে উত্তম বিধান আর নেই। তাই এই বিধান যারা দুনিয়ায় মেনে চলবে তারা পরকালীন জীবনে শান্তিতে থাকবে এবং যারা এটা মানবে না তারা কঠিন কষ্টের মধ্যে নিমজ্জিত হবে।

পিচ্ছিল পথচলার ৪৫ বছর -রাজিবুর রহমান

বাংলাদেশ। চিরসবুজের সমারোহে তারুণ্যের উচ্ছল প্রাণবন্যায় ভরপুর প্রিয় মাতৃভূমি। হৃদয়াবেগের প্রতিটি ঢেউয়ের সাথে জড়িত স্বপ্নসমেত প্রিয় জন্মভূমি যখনই আক্রান্ত হয়েছে তখনই অটুট বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এগিয়ে এসেছে সেই তারুণ্য। আর তরুণদের মূল অংশই হলো ছাত্রসমাজ। ছাত্রসমাজের দুঃসাহসিক অদম্য ভূমিকার মাধ্যমে স্বৈরশাসনের কবল থেকে মুক্তি পেয়েছিলো বাংলাদেশ। সোনালি অতীত বহনকারী ছাত্রসমাজের ইতিহাসের পাতায় যখন কলঙ্কের কালিমা লেপন করছিলো ক্ষমতালোভী স্বার্থান্বেষী শাসকমহল, আলোর মশাল হাতে অন্ধকার জয় করতে তখনই যাত্রা শুরু করে হেরার রাজ তোরণের আলোর আকাঙ্ক্ষায় পথ চেয়ে থাকা লাখো তরুণের প্রিয় ঠিকানা, মুক্তির কাফেলা বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

একটি সাংগঠনিক সেশনে সংগঠন পরিচালনায় দায়িত্বশীলের যত কাজ

সংগঠনের শাখা প্রশাখাগুলোকে লক্ষ্যানুযায়ী কাজে নিয়োজিত রাখাকে সংগঠন পরিচালনা বলে। সুন্দর পরিচালনার ওপর কাজের সফলতা নির্ভর করে। সংগঠনকে সকলের নিকট ভালোভাবে উপস্থাপনের জন্য দায়িত্বশীলদের কতগুলো বিষয় খেয়াল রাখতে হবে।

পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে একজন দায়িত্বশীলের ভূমিকা

নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে, কর্মসূচি ও কর্মপদ্ধতির আলোকে ময়দানের চাহিদা অনুযায়ী অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন এবং কর্মী পরিচালনা করেন তাকে দায়িত্বশীল বলে। ইংরেজিতে একটি প্রবাদ আছে, ‘A leader is he who knows the way, follows the way and shows the way. দায়িত্বশীল বা ইমাম হচ্ছে ঢালস্বরূপ, যাকে সামনে রেখে পথ চলা যায়।

ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের দৈনন্দিন জীবনে সময় ব্যবস্থাপনা গুরুত্ব ও কৌশল

আল্লাহপ্রদত্ত ও রাসূল সা: প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী এ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে চলতে থাকা দ্বীনের কর্মীরা তাই আল্লাহর সব নেয়ামতের সর্বোচ্চ সুন্দর ব্যবহার নিশ্চিত করতে চায়। আর সদা গতিশীল জীবনের জন্য সুনির্ধারিত সময় সেসব নেয়ামতের মধ্যে অন্যতম। এ সময়ের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার তাই তাদের কাছে আমানত হিসাবেই গণ্য। জীবনে যে ক’টি মুহূর্ত পাওয়া যাচ্ছে, তাকেই পরীক্ষার জন্য ইফেক্টিভলি কাজে লাগানোর কাজে সদা ব্যস্ত কর্মীদের উদ্দেশ্যেই এই লেখা।

প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির উনচল্লিশ বছর "আমাদের পথচলা"

৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ সংগঠনের ৩৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। অনিয়ম, অবিচার আর নৈতিকতা বিবর্জিত নেতৃত্বের বিষবাষ্পে কলুষিত এ সমাজকে পাল্টে দিয়ে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া ছিল সময়ের অপরিহার্য দাবি।

আমরা কি চাই? কেন চাই? কিভাবে চাই?

ইসলামী আদর্শভিত্তিক একটি গঠনমূলক ছাত্র সংগঠন হিসেবে ছাত্রশিবিরের পূর্ণাঙ্গ পরিচয় তুলে ধরা তাই সময়ের দাবী। এ পুস্তিকায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও কর্মসূচী অতি সংক্ষিপ্ত পরিসরে তুলে ধরা হয়েছে। বইটি পড়লে যে কোন পাঠক ছাত্রশিবির সম্পর্কে একটা সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারবেন বলে আমরা আশা রাখি।

ইসলামী আদর্শের কর্মীদের করণীয়

সঙ্ঘবদ্ধভাবে যারা ইসলামের সৌন্দর্য প্রচার-প্রসার ও আল্লাহর নির্দেশিত পন্থায় এর প্রতিষ্ঠার জন্য সাধ্যাতীত চেষ্টার কাজে নিজেদেরকে নিয়োজিত করে তারাই ইসলামী আদর্শের কর্মী। আদর্শিক আন্দোলনের কর্মী মানেই আন্দোলনের পক্ষ থেকে ব্যক্তির ওপর আন্দোলনের যে দায়িত্ব অর্পিত হবে তা যথাযথভাবে পালন করবে। কর্মীর সকল দায়িত্ব-কর্তব্য পালনের উদ্দেশ্যের মূলে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।