মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪

দৈনিক জনকণ্ঠ ও ভোরের কাগজ পত্রিকায় ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

সম্প্রতি দুর্নীতি কাণ্ডে কাস্টমস কর্মকর্তা মতিউর রহমানকে শিবির আখ্যা দিয়ে গতকাল (২৪ জুন) দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকায় ‘শিবির করতেন ছাগলকাণ্ডের মতিউর’ এবং ভোরের কাগজ পত্রিকায় ‘ছাগলকাণ্ডের মতিউর করতেন শিবির’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

এক যৌথ বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় সভাপতি মঞ্জরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম বলেন, “অবৈধ ভোটবিহীন ডামি সরকার নিজের ইমেজ রক্ষা করতে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন নাটক সাজিয়ে যাচ্ছে। মিডিয়াগুলোকে কুক্ষিগত করে সরকার বরাবরই প্রোপাগান্ডা মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। তারই অংশ হিসেবে দৈনিক জনকণ্ঠ ও ভোরের কাগজ পত্রিকা অবৈধ সরকারের মুখপত্র হিসেবে কাজ করে আসছে। তারা সম্প্রতি ছাত্রশিবিরকে নিয়ে এমন মুখরোচক শিরোনাম দিয়ে প্রতিবেদন প্রচার করেছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। মতিউর রহমান কোনোকালেই ছাত্রশিবিরের কেউ ছিল না। আমরা এমন নির্জলা মিথ্যা নিউজ প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।”

নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, “এই মতিউর রহমান যত বড় বড় পদোন্নতিগুলো পেয়েছে, সবগুলো ছিল আওয়ামীলীগের আমলেই। তার দুই স্ত্রীই আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত। এছাড়া আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, তার নামে আওয়ামীলীগের আমলে পৃথক অভিযোগের ভিত্তিতে ৪ বার তদন্ত করে দুদক কোনো অভিযোগ পায়নি! এসব প্রমাণ করে যে, মতিউর রহমান আওয়ামীলীগের প্রত্যক্ষ মদদেই এসব দুর্নীতি করে গেছে।”

নেতৃবৃন্দ বলেন, “ছাত্রশিবির একটি আদর্শ সংগঠন, যা কুরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। শিবিরের প্রতিটি জনশক্তি ইসলামী অনুশাসন মেনেই নিজেদের পরিচালনা করে। শিবিরের কোনো জনশক্তি দুর্নীতির মতো ভয়াবহ ইসলামবিরোধী তৎপরতায় যুক্ত হতে পারে না।

দৈনিক জনকণ্ঠ ও ভোরের কাগজ কোনো প্রকার তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা ছাড়াই নিউজ করেছে, যা সাংবাদিকতা পেশার পরিপন্থি। সুতরাং আমরা মনে করি, দৈনিক জনকণ্ঠ ও ভোরের কাগজ পত্রিকা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছাত্রশিবিরকে নিয়ে মিথ্যাচার করেছে।”

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “বর্তমান সরকার মতিউরসহ সকল দুর্নীতিবাজদের সেইফ এক্সিটের ব্যবস্থা করে দিয়েছে। সকল দুর্নীতিবাজদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। দৈনিক জনকণ্ঠ ও ভোরের কাগজ কর্তৃপক্ষকে এই মিথ্যা নিউজ সংশোধন করতে হবে।সেইসাথে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে কোনো নিউজ প্রচার করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পত্রিকাসহ সকল মিডিয়াকে আরও পেশাদারত্বের পরিচয় দেওয়ার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি। অন্যথায় জনগণ থেকে আপনারা আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবেন।”